দীর্ঘদিন ধরেই ঝুলে ছিল ২৬ হাজার চাকরি প্রার্থীদের ভবিষ্যৎ। আজ সকাল থেকেই সকলের নজর ছিল সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের দিকে। শেষ পর্যন্ত আশাঙ্কাকে সত্যি করে আজ ২০১৬ সালের পুরো প্যানেল বাতিল করে দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান্না এবং বিচারপতির সঞ্জীব কুমারের ডিভিশন বেঞ্চ।
এক ধাক্কায় এতজনের চাকরি চলে যাওয়ায় সকাল থেকেই বিরোধীরা কাঠগড়ায় তুলেছেন একজনকেই। তিনি হলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একই সুর বিজেপির তারকা নেতা রুদ্রনীল ঘোষের গলাতেও।
‘সুপ্রিম’ নির্দেশ আসতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় মুখ্যমন্ত্রীর একটি ছবি দিয়ে চরম কটাক্ষ করেছিলেন রুদ্রনীল । তার কিছুক্ষণ পর চাকরি বাতিল নিয়ে একটি ছড়া বেঁধেছেন বিজেপি নেতা। প্রথম পোস্টে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাসি মুখের একটি ছবি আর পাশে সুপ্রিম কোর্টের ছবি বসিয়ে সেই ছবির ওপর তিনি লিখেছিলেন, ‘২৬ হাজার চাকরি খেলাম অপূর্ব তার স্বাদ, ২৬শে’তেই নিচ্ছি বিদায় চোর ক্রিমিনাল কাঁদ।’ মুখ্যমন্ত্রীর ওপর ক্ষোভ উগরে দিয়ে এই পোস্টের ক্যাপশনে তাঁর দাবি ছিল, ‘দায়ী একজন। যিনি ঘুষ দেওয়া অবৈধদের বাঁচাতে হাজার হাজার যোগ্য ছেলেমেয়ের সর্বনাশ করলেন তথ্য লুকিয়ে।’
এখানেই শেষ নয়! আরও একটি পোস্টে কারও নাম উল্লেখ না করে হ্যাশট্যাগ ছোড়’দি লিখে ইঙ্গিতপূর্ণ একটি ছড়া শোনালেন রুদ্রনীল। সেই ভিডিওটির ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, ‘আজ ছোড়দি’র জন্য দু’লাইন….। যাদের সর্বনাশ করলেন,তারা ছেড়ে দেবে না,হিসাব নেবেই।’
প্রসঙ্গত রুদ্রনীল একা নন আজ সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ২৬ হাজার চাকরি বাতিল হওয়ার পর থেকেই পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করে একযোগে আক্রমণ শানিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী থেকে শুরু করে বিজেপি রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদাররাও। সরব হয়েছেন দলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়ও।

