রাত ৩টায় ফোন, বিছানায় চলার প্রস্তাব, ১৫০ অডিশনের পরও না! মুম্বইয়ে এসে কাশিকার ভয়ংকর অভিজ্ঞতা


গত বছর অর্থাৎ ২০২৪ সালে অভিনয়ের দুনিয়ায় পদার্পণ করেছেন অভিনেত্রী কাশিকা কাপুর। তবে রুপোলি জগতে জায়গা করে নেওয়া তো মুখের কথা নয়। কাশিকাও এর ব্যতিক্রম নন! রুপোলি দুনিয়ায় জায়গা করে নিতে প্রচুর লড়াই করতে হয়েছিল তাঁকেও। এমনকী, অভিনয় দুনিয়ায় কাস্টিং কাউচেরও শিকার হতে হয়েছিল। এক সাক্ষাৎকারে নিজেই এই কথা জানিয়েছিলেন অভিনেত্রী।



খুব কম বয়সে বলিউডে পা রেখেছেন ২২ বছর বয়সী কাশিকা কাপুর। নিজের নাম তৈরি করতেই ইন্ডাস্ট্রিতে এসেছিলেন তিনি। এমনকী নিজের প্রথম ছবির হাত ধরে ভাল ভাবে জায়গা করে নিতে পেরেছেন এই অভিনেত্রী। নিজের অসাধারণ রূপের জাদুতে ভক্তদের মুগ্ধ করে দিয়েছেন কাশিকা। প্রথম ছবি ‘আয়ুষ্মতী গীতা ম্যাট্রিক পাশ’ ছবিতে অভিনয় করে সকলের মনও জিতে নিয়েছেন। কিন্তু তার আগে অনেক বাধা-বিপত্তির মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছিল তাঁকে। 



বিছানায় যাওয়ার প্রস্তাব: এক সাক্ষাৎকারে কাশিকা কাপুর বলেছেন যে, তিনি মুম্বই এসেছিলেন। অন্তত ১৫০টিরও বেশি অডিশন দিয়েছিলেন। তবে সমস্তটাতেই ব্যর্থ হয়েছিলেন তিনি। কিন্তু হাল ছাড়েননি অভিনেত্রী। তাঁর কথায়, “এরপর এমন একটা সময় এসেছিল, যখন রাত ৩টের সময় এক পরিচালক আমায় ফোন করেছিলেন। বলেন যে, আমি আপনাকে কাজ দেব। কিন্তু তোমাকে আমার সঙ্গে বিছানায় শুতে হবে। আমি এই সমস্ত প্রস্তাব ফিরিয়ে দিতাম। কারণ আমার মনে হয়েছিল যে, যদি আমি নিজেকে ১০ বছর পর দেখি, তাহলে আমার মনে কোনও অপরাধবোধ 



মধ্যরাতে পরিচালকের ফোন: অভিনেত্রীর বক্তব্য, “আমার মনে হত যে, যদি আমি কিছু হতে চাই, তাহলে আমি সেখানে নিজের কঠোর পরিশ্রমের জোরেই পৌঁছব। আমি আরও এগিয়ে যেতে পারি। কাস্টিং ডিরেক্টররা একাধিক বার আমায় কল করতেন। আর আমায় নানা রকম প্রস্তাব দিতাম। কিন্তু আমি প্রত্যাখ্যান করতাম। আমি বুঝতে পারি না যে, এই মানুষগুলি কি শুতে পারে না। এরা ঠিক কী ধরনের মানুষ? যারা না ভেবেচিন্তে গভীর রাতে ফোন করে আর এরকম কথাবার্তা বলে। ওদের লজ্জা হয় না?” 



এদিকে সব সময় নিজের পাশে পেয়েছেন কাশিকার মা। আসলে মায়ের শিক্ষার জন্যই হাল ছাড়তে শেখেননি অভিনেত্রী। নিজের প্রথম ছবিতে সুযোগ পাওয়ার পর কাশিকা বলেন যে, তিনি খুবই সৌভাগ্যবতী যে, এমন একটি ছবির হাত ধরেই আমার ডেবিউ করার সুযোগ হয়েছে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নবীনতর পূর্বতন